পথচারীদের জীবন নিয়ে রাজনীতি নয়।

“‘”এই সব ‘বিকৃত হাসি’-ই ওই সব পাষাণ হৃদয়ের অনুপ্রেরণা ও অনুঘটক, যাহার কারনে আমরা সারা মাস ব্যাপিয়া ওদের কাউন্সিলিং করিয়া রাস্তায় ছাড়িয়া দিলে-ও তাহারা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়া যায়””
আমার অভিজ্ঞানে পরিবহন কর্মীদের ৫৬% মাদকাসক্ত ও বিকৃত মানসিকতায় আক্রান্ত, আমাদের CSR(Corporate Social Responsibility) -এর অধীনে সল্পমূল্যের মাদকাসক্তি চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র গুলোর পরিসংখ্যান তা-ই বলে, ব্যস্ততা সত্ত্বেও অভিজাত এলাকার সেন্টারগুলো থেকে সময় বের করে আমি অনেক কাঁদা জল পেরিয়ে নগরীর ঘিঞ্জি এলাকায় সপ্তাহে এক দিন হলেও যাই, ওদেরকে সৎজীবনবোধ, পেশাগত শৃংখলা, মানবতা ও সর্বোপরি মাদকমূক্ত ধর্মাশ্রয়ী উপার্জনের ওপর গুরুত্তারোপ করে থাকি; বিশেষ করে অন্যদের জীবনে ওদের পেশার ভূমিকা শীর্ষক আলোচ্য বিষয়াদি এখানে প্রাধান্য পায়।
উন্নত মডেলের যানবাহন হলেও দ্রুতগামীতার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে-ও ভয়ংকর রকম সড়ক দূর্ঘটনা হয়ে থাকে তবে পার্থক্য হলো ঔসব দূর্ঘটনাতে মদ্যপ চালক নিজেও পগার পার হন, সাধারণ মানুষের ওপর এর ধকল পড়েনা, কারন ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর কঠোর নিয়ন্ত্রণ, চালকদের ও পথচারীদের শিষ্টাচার, অধিক লেনের চওড়া রাস্তা ও সুশৃংখল ট্রাফিকিং ব্যবস্থা এবং মদ্যপ্রবণদের জন্য নিয়মিত কাউন্সিলিং ও প্রয়োজনানুসারে Occupational Therapy -এর বিধান রয়েছে। আমরাও ইচ্ছে করলে রাষ্ট্রীয় ভাবে চালকদের প্রশিক্ষণ দিতে পারি, ওদের আরো অধিক সৎ পেশাদার মনোভাবাপন্ন করে গড়ে তুলতে পারি, এ জন্য দরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যহীন সুশৃংখল পরিবহন শ্রমিকসংঘ, এ দেশের রাজনীতিজ্ঞরা পরিবহন সেক্টরকে কেবল কলুষিত-ই করেনি বরং রাজিব, আয়েশা, পায়েল, করিম ও মিম-দের মতো অসংখ্য নীরিহ আত্মার বর্বর খুনী তৈরী করেছে, যারা নিজেদের দোষ ঢাকতে আহত পায়েল-এর মুখ থেঁতলে নদীতে ফেলে দিতে এক চিলতে দ্বিধান্বিত হয়নি, কারন তারা জানে এ দেশে তাদের শাস্তিদাতার চেয়ে অনুপ্রেরকের সংখ্যা অনেক বেশী, শুধু দলাশ্রয়ী হলেই সব খুন মাফ।

""আমরা সারা মাস ব্যাপিয়া ওদের কাউন্সিলিং করিয়া রাস্তায় ছাড়িয়া দিলে-ও তাহারা ব্যর্থ সিস্টেমের জন্য পুনরায় পূর্বাবস্থায়…

Gepostet von Kabir Jewel am Montag, 30. Juli 2018

 

Leave a Comment