মানসিক স্বাস্থ্য আইন-২০১৮ নিয়ে তোপের মুখে BAP- এর কথিত নেতৃবৃন্দ।

গতকাল রাজধানী-র একটি অভিজাত হোটেলে সান ফার্মাসিউটিক্যল আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনার অপ্রাসঙ্গিক ভাবে BAP(বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ সাইকিয়াট্রিস্ট)-এর কথিত নেতৃবৃন্দ সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় উত্থাপিত মানসিক স্বাস্থ্য আইন’২০১৮ এর প্রসংগটি আলোচনায় আনেন কিন্তু নিজেদের দূর্বল ও অকার্যকর অবস্থান নিয়ে ক্রমাগত প্রশ্নবাণে অপমানিত হয়ে দ্রুত সেমিনার স্থান ত্যাগ করেন। খুলনা মেডিকেল কলেজের মানসিক রোগ বিভাগের প্রধান ডা. ফরিদুজ্জামান জোর পূর্বক ডায়াসে এসে বিগত বছরগুলোতে BAP -এর নৈরাশ্য জনক ভূমিকার কথা তুলে ধরেন এবং মানসিক স্বাস্থ্য আইন’১৮ তে আপত্তিকর ক্লজ গুলো প্রতিরোধে এসোসিয়েশনের আদৌ কোন ভূমিকা ছিল কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, সেমিনারে আগত মানসিক বিশেষজ্ঞ গণের প্রায় সকলেই এ বিষয়ে BAP এর পরিকল্পনা জানতে চাইলে তারা ও তাদের অনুসারীরা চুপিসারে সেমিনার কক্ষ ত্যাগ করেন, বৈজ্ঞানিক সেমিনারটি যথারীতি বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চললেও BAP এর স্বার্থান্বেষী কথিত নেতৃবৃন্দ ও তাদের হাফ ডজন অনুচরদের সেমিনার কক্ষে আর দেখা যায়নি।

উল্লেখ্য যে গত ১৫-ই জুলাই মন্ত্রী সভায় মানসিক স্বাস্থ্য আইন-১৮ পাশ হয়, যেখানে মানসিক রোগীদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা নিয়ে কয়েকটি ধারা রয়েছে। তবে মাদকাসক্তদের মানসিক রোগের চিকিৎসা ও হাসপাতাল গুলো মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের আয়ত্তাধীন থাকবে কিনা ইহার স্পষ্টতা নেই।
কবিরাজি, পীর, ফকির, গাছ -গাছড়া দিয়ে চিকিৎসার বিষয়ে নিরবতা পালন করা হয়েছে। সর্বোপরি মানসিক ক্লিনিক ও হাসপাতাল গুলোকে জেলা প্রশাসকদের নিকট জওয়াবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়েছে — যাহা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বৃদ্ধাংগুলি দেখানোর নামান্তর এবং BAP -এর জন্য একটি বড় চপেটাঘাত।

Leave a Comment