
সৃজনশীল মাদকতার সাথে উচাটন মনের একটা সম্পর্ক রয়েছে, — Stephen Hawking প্রথম জীবনে পুরোপুরি নাস্তিক্যবাদেই ডুবে ছিলেন A Brief History of Time -এ সরাসরি বলেছেন There is No God, তারপর MND (Motor Neurone Disease)- এ আক্রান্ত হলে চিকিৎসক-রা নিশ্চিতভাবে উনার মৃত্যুর আনুমানিক সময় বেঁধে দেন কিন্তু তার চেয়ে দীর্ঘ সময় তিনি বেঁচে থাকলেন এমন কি আরো অনেক বই লিখতে লাগলেন, ধীরে ধীরে তার চিন্তার মাঝে নতুনত্ব এসে পুরোনো বস্তুবাদী ধারনাগত থিওরি সরে গিয়ে থিওলজিকাল অর্থাৎ ধর্মতত্ত স্থাণু হয়ে উঠলো, ইতিমধ্যে পোপ ফ্রান্সিস তার সাথে দেখা করে তাকে আশির্বাদ করে ধর্ম ও বিজ্ঞানের সাযুজ্য নিয়ে আলোচনা করলেন, ‘The Grand Design’- বইতে তিনি আস্তিকতার প্রকাশ ঘটাতে শুরু করেন, যার সহযোগী লেখক ছিলেন Leonard Mlodinow, এখানে তারা তাদের ঐতিহাসিক ‘Big Bang Cosmology’ থিওরির সাথে Quantum Fluctuations যোগ করে Universe এর স্থলে Multiverse শব্দিত করেন ও Real Time এর সাথে Imaginary Time বা Relativity of Time এর সম্প্রীতি নির্ণিত করেন; In our holy Quran there are several verses where the Relativity of Time mentioned clearly.
“On the Day when He will call you, and you will answer (His Call) with (words of) His Praise and Obedience, and you will think that you have stayed (in this world) but a little while!” [Quran 17:52],
“And on the Day when He shall gather them together, (it will seem to them) as if they had not tarried (on earth) longer than an hour of a day: they will recognize each other”. [Quran 10:45].
“He will say: ‘What number of years did ye stay on earth?’ They will say: ‘We stayed a day or part of a day: but ask those who keep account.’ He will say: ‘Ye stayed not but a little, – if ye had only known!’” [Quran 23:112-114]. “The angels and the Spirit ascend unto him in a day the measure whereof is (as) fifty thousand years.” [Quran 70:47].
সুরা ফাতিহা-র প্রথম আয়াত الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالََ – All praise is due to Allah, the Lord of the Worlds অর্থাৎ গ্রহরাজির প্রভূ ; ও সুরা রুম এর… يَعْلَمُونَ ظَاهِرًا مِّنَ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَهُمْ عَنِ الْآخِرَةِ هُمْ غَافِلُونَ “They know what is apparent of the worldly life, but they, of the Hereafter, are unaware”- এর সমার্থবোধক।

মজার বিষয় হলো- হকিং প্রথম বইগুলোতে (1988) যা বলেছেন, সোজাসুজি বলেছেন তার কথায় কপটতা বা ভয় কাজ করেনি পরে আবার বোধিত হয়ে তা পরিমার্জন(2014 onwards) করেছেন, ২০১৬-তে ভ্যাটিকানসিটিতে যেয়ে “Faith & Science” বিষয়ে মতামত দেন ও চারজন পোপের সাথে ভাব বিনিময় করেন; পক্ষান্তরে এ দেশের তথাকথিত কিছু বিজ্ঞান লেখকরা ইনিয়ে বিনিয়ে পরোক্ষভাবে আমাদের বাচ্চাদের নানামুখী গল্প উপন্যাস কথিত সায়েন্স ফিক্সন উপহার দিচ্ছেন যা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে মূল বক্তব্য ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক, নাস্তিকতাবাদী চিন্তা এদের মাথায় থাকলেও হকিং-এর ন্যায় সাহস নেই, আবিষ্কার লব্ধ জ্ঞান নিয়ে লেখার সেই ক্ষুরধার ক্ষমতাও এদের নেই, আবিষ্কার লব্ধ জ্ঞান নিয়ে লেখার সেই ক্ষুরধার ক্ষমতাও এদের নেই,তবে এদের বেশির ভাগ-ই মূলত ইসলাম ও মুসলিমদের বিরোধিতা করে লিখে থাকে বলে মোটা অংকের পয়সা আয়ের ব্যবস্থা কোত্থেকে যেন ভূতুরেভাবে হয়ে যায়, এরা আবার মাত্রাধিক হারে সন্মান ও নিরাপত্তাও পায় কারন কওমি মাদ্রাসা ভিত্তিক একটি অংশ এদের লেখার মাধ্যমে প্রতিহত না করে প্রায়শঃই মৌখিক ও অন্যান্য আক্রোশ প্রকাশ করে একটা ভীতিপ্রদ অবস্থা তৈরী করে , যা কক্ষনোই কাম্য নয়, অথচ পাল্টা প্রতিবাদী লেখার মাধ্যমে সেই সব কল্প কাহিনীর উপযুক্ত জবাব দিয়েই বিষয়গুলোকে প্রশমিত করা সম্ভব, তাহলেই আমাদের শিশুমনে বিজ্ঞানের নামে ভিন্নমত রোপিত হতে পারবেনা, শিশুতোষ সাহিত্যে অধিক হারে নিজ ধর্মীয় গ্রন্থ সংশ্লিষ্ট আলোচনা আবশ্যক, যাতে শিশু সয়ংক্রিয়ভাবে নিজ বুদ্ধিগুণেই নৈতিকতা নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে, ওরা সব ধরনের জ্ঞানার্জন করবে এবং নিজ জীবনবোধ সম্পন্ন টুকু গ্রহন করে নেবে, আমাদের আরো অধিক হারে প্রয়োজন শ্রদ্ধাস্পদ ড.শাহজাহান তপন, অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম, ড.আবদুল্লাহ আল মুতি ও প্রখ্যাত ফলিত পদার্থবিদ ও অধ্যাপক শমসের আলী সারদের মতো বিজ্ঞানবিদ ব্যক্তিত্ব, মিডিয়াগুলোকে বাধ্য করতে হবে ইনাদের লেখার প্রচারণা করতে ও এখনো যারা জীবিত আছেন তাদের নিয়ে শিশুদের সাথে হতে থাকবে Live programs… তাহলেই সমাজ বিভেদক লেখকদের প্রসার বন্ধ হবে।
পরিশেষে বিজ্ঞানপ্রিয় হকিং- এর জীবনের এক মজারু ঘটনা দিয়ে লেখাটির সমাপ্তি টানছি,১৯৭৫ সনে Black Hole বা কৃষন গহবরের আগ্রাসী কর্মপরিধী নিয়ে আরেক আমেরিকান নোবেলজয়ী মহাকর্ষীয় পদার্থবিদ (Gravitational Physicist) ‘Kip Stephen Thorne’ এর সাথে তার রীতিমতো তর্ক শুরু হলো, পরে তারা প্রকাশ্যে বাজি ধরলেন, তবে তা কোন মিলিয়ন ডলারের হিসেবে নয় কিংবা মানব কল্যানমূলক কোন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে বিনা পারিশ্রমিকে শ্রম দানের বাজি ও নয়, কিপ থর্ন হেরে গেলে বৃটিশ কমেডি পত্রিকা ‘প্রাইভেট আই’ গ্রাহক হবেন, আর হকিং হেরে গেলে হতে চাইলেন আমেরিকান পর্ন ম্যাগাজিন ‘পেন্ট হাউজ’-এর গ্রাহক, পাঠকের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি গত ১৪-ই মার্চ পর্যন্ত হকিং-এর গ্রাহক পদটি পর্ণ ম্যাগাজিনের জন্য বহাল ছিল।