বেহেশতে-র পানি(সুরা)-য় কোন আসক্তি বা শারিরীক সমস্যা সৃষ্টি করবে না, ফলে মনের ওপর কোন কুপ্রভাব আসবে না….
অধ্যাপক এম. এস. কবীর জুয়েল।

নাস্তিকগণ ও কূটকৌশলী তথাকথিত সেক্যুলার
বুদ্ধিজীবিগণ প্রায়ই বলে থাকেন, স্রষ্টা যখন তার বেহেশতে সুরা(মদ)পান করাবেন, তাহলে এ দুনিয়ায় ইহা নিষিদ্ধ কেন?
সূরা ওয়াকিয়া-র ১৯ নং আয়াতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে
জান্নাতে প্রদান করা পানি-য় কোন নেশা বা আসক্তি তো ঘটাবেই না, এমন কি ইহা হতে কোনরুপ শারিরীক রোগ ও হবেনা… তাহলে একটি বিষয় পরিস্কার বোঝা গেলো যে, জান্নাতে বা বেহেশতে সরবরাহকৃত পানি-য়ের মাঝে কোন Addictive Property থাকবে না, অর্থাৎ CNS(Central Nervous System) বা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে কোন উদ্দিপক প্রভাব পড়বে না,
তাই মাতাল বা নেশাগ্রস্ত হওয়ার সুযোগ-ই নেই, সুতরাং মনের ওপর কোন কুপ্রভাব আসবে না।
ষআর ইহা কোন অংগের জন্যও ক্ষতিকর নয়, ফলে মাথা ব্যাথা, ঘাড় ব্যাথা, পেটব্যথা, গ্যস্ট্রিক, স্ট্রোক,
লিভার সিরোসিস এর মতো কোন রোগ এ পানিয় হতে তৈরী হবেনা, ইহা মহান আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি, কিন্তু তাদের জন্য যারা এ দুনিয়ায় ঐ সব নেশা জাতীয় বস্তু ( Alcohol, Yaba, Gaja, Marijuana, Hasis, Codeine, Nicotine etc) থেকে সদা নিজেকে মুক্ত রেখেছিলো।
Surah Al Waqiah (The Event) Ayat 19
لَّا يُصَدَّعُونَ عَنْهَا وَلَا يُنزِفُونَ
Muhammad Habib Shakir: “They shall not be affected with headache thereby, nor shall they get exhausted” ;
Abdullah Yusuf Ali: “No after-ache will they receive therefrom, nor will they suffer intoxication” ;
M.Pickthall: “Wherefrom they get no aching of the head nor any madness” ;
Amatul Rahmân Omer: “They will get no headache (or giddiness) from their (drinks), nor will they be inebriated and talk nonsense” ;