Mc Lean University Hospital এর আত্মহত্যা বিষয়ক কর্মশালা ও DUMUMA কর্তৃক আলোচনায় অধ্যাপক কবীর জুয়েলের যোগদান ও বক্তব্য প্রদান.
অধ্যাপক ডঃ এম. এস. কবীর জুয়েল।

Mc Lean University & Hospital আয়োজিত আজকের আত্মহত্যা বিষয়ক সেমিনারটিতে আমরা মূলত আলোচনা করবো, “দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে আত্মহত্যার প্রেক্ষিতঃ ও প্রতিকার” এতে উঠে আসবে বৈশ্বীক মহামারী পরিস্থিতিতে আমাদের মেডিক্যাল কলেজ ও ভার্সিটি-র ছাত্র-ছাত্রীদের দীর্ঘদিন অধ্যয়ন বিমুখ ঘরবন্দী থাকার প্রসংগটি, ইন্টারনেটহীন প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছাত্র-ছাত্রীদের দূর-শিক্ষনে পাঠ গ্রহনের অব্যবস্থাপনা তাদের কিভাবে বছরান্তে পরীক্ষার সময় ‘Study load’-এর দিকে ঠেলে দিয়েছে? অন্যান্য দেশে প্রাইভেট টিভি বা জাতীয় টিভি চ্যনেল কেন্দ্রীক Academic programmes কিভাবে লক ডাউনে উচ্চ শিক্ষার্থীদের জন্য ভূমিকা রেখেছে?
https://www.facebook.com/dumuna.du/videos/1188250921700773/
আমরাও একটি টিভি দিয়ে আংশিক চেষ্টা চালিয়েছিলাম কিন্তু আমাদের মেডিক্যাল ও ভার্সিটির শিক্ষার্থীরা এর আওতায় ছিলোনা। অতি সম্প্রতি সিলেট মেডিক্যাল কলেজের এক তরুন মেডিক্যাল শিক্ষার্থী ও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের একজন মহিলা চিকিৎসক এর আত্মহত্যা আমাদের মাঝে নাড়া দিয়েছে, গ্রাজুয়েশন স্তরে আমাদের মেডিক্যাল কারিকুলাম নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছে, এ ছাড়াও এমবিবিএস পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকদের দীর্ঘ মেয়াদি পড়াশোনায় ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক প্রভাব আমাদের ভাবিত করে তুলেছে; কারণ পরিশ্রম বিবেচনায় অন্যান্য পেশাজীবীদের তুলনায় চিকিৎসকদের মূল্যায়ন খুবই কম।
স্বল্প আয়ের দেশ হিসেবে আমাদের ঘাটতিগুলো কাটিয়ে আমরা কিরুপে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় ব্যস্ত রাখতে পারতাম?
কিভাবে চিকিৎসকদের যথাযথ সুরক্ষা ও মূল্যায়ন করা যায়, সে বিষয়গুলো অন্যান্য দেশের সাথে তুলনার সময় এসছে।
একই সাথে সাধারণ মানুষের জীবন মান-এর ওপর এ অতিমারী-র কতোটা ব্যাপক প্রভাব পড়েছে?
প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যাঁরা টানাটানিতে সংসার চালাতো, তাদের মধ্যে হতাশা জনিত আত্মহননের প্রবণতা কেমন টা ছিলো, পুরো দক্ষীণ এশিয়ায় লকডাউনে উচ্চ বিত্তের ‘Panic buying’ ও দ্রব্যমূল্যের সিন্ডিকেট ভিত্তিক চড়া দামের খেসারত কিভাবে দিচ্ছে দরিদ্র জণগন?
প্রায় ১৮ মাস বন্ধ ছিলো ঢাকাসহ অন্যান্য বিশ্ব বিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ সমূহ এ অবস্থায় তরুন শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করেছে, পরীক্ষাগুলো পিছিয়েছে,বয়স তো বসে থাকেনি, চাকুরী পাওয়ার পরবর্তী পরীক্ষাগুলিতে আদৌ
অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবার অনিশ্চয়তায় ভূগেছে একটা বিশাল গ্রুপ। ইতোমধ্যেই বিশ্ব মানসিক দিবস উপলক্ষ্যে বিগত ১১/১০/২১ DUMUNA(Dhaka University Model United Nations Association) আয়োজিত সেমিনারে আমরা বাংলাদেশের তরুনদের আত্মহননের অস্বাভবিক হার (70% more than the Covid death from March-September’20) নিয়ে বিশ্লেষণ করেছি ও তা উত্তরনের পথ ও বাতলে দিয়েছি, যে আলোচনাটি DUMUNA এর FB page এ রয়েছে।
আজ আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের এ বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করার প্রত্যাশা করছি।
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=4837959536215687&id=100000050663927



