মনোরোগ বিশেষজ্ঞগণ বললেনঃ করোনা ফ্রন্ট লাইনারদের কাউন্সিলিং প্রয়োজন হতে পারে।

আজ ১১ই এপ্রিল সন্ধ্যা সাতটায় দেশ ও প্রবাসের প্রায় ২০ জন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ, ৩ জন অন্যান্য রোগ বিশেষজ্ঞ, ২ জন তৃনমূল চিকিৎসক, একজন ইয়োগা-রিলায়েন্সন স্পেশালিষ্ট ও ১ জন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এবং দুজন উচ্চ শিক্ষিত সচেতন অভিভাবক(রোগীর)-দের সরব ও প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে Sanofi Aventis আয়োজিত আমাদের আজকের ‘Online Video conference’ টি অত্যন্ত সফলভাবে শেষ হয়েছে, যার বিষয় ছিলো-“মানসিক রোগ ও মৃগীরোগ এর ওপর কোভিড-১৯ এর প্রভাব ও আমাদের করনীয়।” উল্লেখ্য সলিমূল্লাহ, বগুড়া ও মানিকগঞ্জ সরকারী মেডিকেল কলেজের বিভাগীয় প্রধাণগণ,  বাংলাদেশ মেডিকেল, উত্তরা আধুনিক প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের বিভাগীয় প্রধান, সি.এম.এইচ ঢাকা ও বগুড়া-এর সন্মানিত বিভাগীয় প্রধাণগন, বি.এস, এম.এম.ইউ-এর অধ্যাপক, ইউনাইটেড হাসপাতালের চিফ সাইকিয়াট্রিস্ট, সাউথ আফ্রিকা, মালয়েশিয়া ও সৌদী থেকে প্রবাসী বাংলাদেশী বিশেষজ্ঞদের মতামত বিনিময় ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শে অদ্যকার এ উদ্যোগ হতে কিছু মূল্যবান আবেদন নীতি নির্ধারকদের জন্য গৃহিত হয়েছে যা রাষ্ট্রীয়ভাবে করোনা মোকাবেলায় ভূমিকা রাখবে। তমধ্যে একটি অন্যতম পরামর্শ হলো—
সম্মুখসারির চিকিৎসক যোদ্ধাদের চিন্তাক্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের ও প্রয়োজনে তাদের নিজেদের নিয়মিত মাসিক কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করা, কারণ পেশাগত চাপ ও উদ্দেগ মোকাবেলার ক্ষমতা সকল ফ্রন্ট লাইনাদের ক্ষেত্রে সমান হবেনা।
অন্যান্য গঠনমূলক পরামর্শগুলোও লিখিত আকারে পরবর্তীতে সানোফি-র মাধ্যমে সাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চ স্তরে দাখিল করা হবে। সান্ধ্যকালীন জুম এ্যপভিত্তিক এ প্রোগ্রামের সমাপ্তিতে সঞ্চালক বলেন–
‘Thanks to All respected Participants who spent 1 and a half hours & Contributed their valuable openions, Special Thanks to Sanofi Aventis pharmaceuticals for arranging such a nice programme. May ALLAH contribute us much more moral strength to cope this adverse situation.’

Leave a Comment