তরুণ প্রজন্মের পাঠক
অধ্যাপক ডঃ এম এস কবীর জুয়েল।
শিক্ষিত, প্রশিক্ষিত নিবেদিতপ্রাণ তরুণ প্রজন্মের একটি পাঠক টিম তৈরী করছি যারা(Doctors /Engineers/Teachers/Lawyers/IT Experts/Any Reputed Discipline from Universities etc) দেশ নিয়ে ভাবতে থাকবে, যারা চিন্তার খোরাক যোগানোর জন্য সুচিন্তিত মতামত ও ভিত্তিসম্পন্ন পুস্তকগুলো নিজেরা পড়বে ও অন্যদের পড়তে উৎসাহিত করবে, যারা কোন মিডিয়ায় প্রচারিত ম্যগাজিনের উপস্থাপকের চটকদারী প্রচারণায় প্রভাবিত হবেন না, যারা সিনেমা-নাট্যপাড়ার কোন উচাটন মেয়ের বহুগামীতার ট্রোল নিয়ে সময় ক্ষেপণ করবেনা; বরং এ সব অগ্রহণযোগ্য জীবনাচারের বিরুদ্ধে জনসম্মুখে সপ্রতিভ গোছানো উত্তর দিতে পারবে, সোসাল নেটওয়ার্কে কেবল ভিত্তিযুক্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী লিখা লিখবে, যারা ভাবাবেগে তাড়িত না হয়ে কেবল যুক্তি দিয়ে এ দেশে মিশনারীদের কর্মকান্ডকে বিশ্লেষণ করে দরিদ্র মানুষদের সচেতন করে তুলবে। শুধু কি একটি টিভি ম্যগাজিনের জনৈক উপস্থাপক নির্দিষ্ট একটি পেশার তৃণমূল সদস্যদের অবজ্ঞা করেছেন বলে আমরা সরব হয়েছি, কেবল তা নয়। এ আমাদের নিজস্ব স্বকীয়তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন ?
সাদা চামড়াওয়ালা মিশনারী চিকিৎসক / শিক্ষক / ধর্মবেত্তা-দের শ্বেতশুভ্র ত্বকের আড়ালে কৃষ্ণবর্ণের কালো মনোবৃত্তি বিরাজমান — যা বুঝতে শান্তিতে নোবেলজয়ী কৃষ্ণাঙ্গ নেতা ডেসমণ্ড টুটু -র উক্তিটি সদাই প্রণিধানযোগ্য
“When the Missionaries(Doctors/Teachers/Clergymen etc) came to Africa, they had The Bible and we had the land. They said, “Let’s pray, we close the eyes”. When we opened our eyes, we had The Bibles and they had the lands.
ইত্যাদি উপস্থাপক নিজে চোখ বন্ধ করে থাকতে পারেন, কিন্তু আমাদের দু-নেত্র সদাই সজাগ; তাই আমরা বিষয়টি নিয়ে এতোটা সরব, আমাদের ধারণা উনি বিশেষ কোন গোষ্ঠীর পক্ষে সাফাই গাইতে ও তাদের প্রতিষ্ঠিত করতেই দেশী তরুণ ডাক্তারদের প্রানান্ত অবদানের কথা কাইলাকুরী-র উক্ত প্রতিবেদনে এড়িয়ে গেছেন।




