শিশুদের অবচেতন মন খুঁজে বেড়ায় স্কুলের সেই অবারিত কোলাহল আর বন্ধুদের ভালোবাসা…

অধ্যাপক এম. এস. কবীর জুয়েল।

আর নয় হেলাফেলা, আমাদের সন্তানদের জন্য স্কুলগুলোতে এতোদিনে অবশ্যই অতিরিক্ত কক্ষসমূহ তৈরী হওয়ার কথা, বরাদ্দ রাখার কথা পর্যাপ্ত বেঞ্চি ও চেয়ার, শিক্ষক ও স্কুল স্টাফদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্রন্ট লাইনার কৌটায় টীকা প্রাপ্তির কথাও বহু আগেই আলোচিত হয়েছে; Adequate Spacing with Social Distance for each students….
যেহেতু স্কুলগুলো শিক্ষার্থীদের নিকট হতে পূর্ণ টিউশন
ফী-সহ অন্যান্য ফী-সমূহ ও নিয়েই যাচ্ছে, তাহলে এতোদিনে এসব অবকাঠামো(Infrastructure) তো অবশ্যই তৈরী হওয়া উচিৎ ছিলো।
অন্যান্য দেশের ন্যায় ব্লেন্ডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করে স্কুলগুলো খুলে দেওয়া হোক।
রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের ভাবতে হবে, আমরা কি একটি প্রজন্ম-কে পুরোপুরি Device Addict ( Cyber/internet /Game Addiction) করে দেবো?
Online classes দু-চার মাস চলতে পারে, বছেরের পর বছর নয়, বার বার বলা সত্ত্বেও BTRC age restricted websites -এর দিকে নজর দিচ্ছেনা; বাচ্চারা ঝুঁকছে আপত্তিকর টিকটক আর অযাচিত গেমিং -এ, কে তাদের সারাদিন মনিটর করবে?
আর গ্রাম্য বালক-বালিকাদের কথা না হয় বাদ-ই দিলাম, ওরা তো Underprivileged groups —
উচ্ছন্নে যাক।
মেয়েগুলোর বাল্য বিবাহ হয়ে যাক, ষোল-তেই কোলেতে সন্তান চলে আসুক, ছেলেগুলো বাবার মূদি
দোকান, টেম্পোর হেল্পার, স-মিলের বা করাত কলের
শ্রমিক হোক– সংসার তো চালাতে হবে।
অথচ SDG(Sustainable Development Goal) – এর Signatory countries সমূহের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম, যেখানে অংগীকার করতে হয়েছে ২০৩০ এর মধ্যে গ্রাম্য নারী শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার তালিকায় আনতে হবে, বাল্য বিবাহ কমাতে হবে।
UNICEF – কে তাগিদ দিয়ে, ফান্ড জোগার করার লোক নেই, ILO বা World Bank -কে বুঝিয়ে প্রান্তিক বাচ্চাদের লেখাপড়া চালিয়ে নেবার জন্য বরাদ্দ তোলার লোক নেই, অথচ এ করোনাকালেও বিদেশ থেকে মেডিক্যাল ইকুইপম্যন্টে আমদানির নামে কোটি কোটি টাকা সাবাড় করে দিচ্ছে,ভূয়া এল সি খুলে, মিথ্যে Procurement দেখিয়ে দেশ- বিদেশের বহু ফান্ড গিলে খাচ্ছে সুবিধাভোগীরা, এ সব দিয়ে অন্তত এতোদিনে আমাদের গ্রাম্য বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো নির্মাণ হয়ে যেতো, ঝরে পড়তো না গরীবের মেধাবী সন্তানেরা।।।।।

Leave a Comment